ছাত্রলীগের কর্মী হয়ে রাজনীতিতে আসি: আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার: দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত “ওরা সবাই এখন আওয়ামীলীগ” শিরোনামে শনিবার (২ নভেম্বর) প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদটিতে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার রৌহা এলাকার সমাজ সেবক আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিনকে  ছাত্রদলের নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচান হচ্ছে। অনেকেই মন্তব্য করছেন আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিন সক্রিয়ভাবে আওয়ামীলীগ কর্মী।

এ বিষয়টি নিয়ে শনিবার (২ নভেম্বর) করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ-ছাত্রদল নেতাদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়।

এসময় করিমগঞ্জ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল জব্বার দৈনিক আমার বাংলাদেশকে জানান, আমি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সন পর্যন্ত করিমগঞ্জ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম আমার সময়ে এরশাদ উদ্দিন কলেজ ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং ছাত্রলীগের মিটিং মিছিলে সব সময় অংশ গ্রহণ করতো।

করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মাজহারুল ইসলাম দৈনিক আমার বাংলাদেশকে জানান, আমি ১৯৮৯ সনে করিমগঞ্জ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম পরবর্তী সময়ে ১৯৯৩ সনে করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। আমার জানামতে এরশাদ উদ্দিন কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে ছাত্রলীগের সকল কর্মকান্ডে জরিত ছিলো। ছাত্রলীগের সকল মিটিং মিছিলে সে অংশগ্রহণ করতো। সে একজন সক্রিয় ছাত্রলীগ কর্মী ছিলো।

করিমগঞ্জ উপজেলা সাবেক ছাত্রদল সভাপতি শফিকুর রহমান শফিক দৈনিক আমার বাংলাদেশকে জানান, আমি ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত করিমগঞ্জ কলেজ শাখার নেতৃত্বে ছিলাম পরে ২০০১ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক এবং ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতির দ্বায়িত্বে ছিলাম আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিন কখনও আমাদের সাথে ছিলো না ওনি ছাত্রদলের কেউ না। এরশাদ উদ্দিন আমাদের কলেজে পড়েছে কিন্তু ছাত্রদলের কোন দলীয় কাজে তাকে দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে আলহাজ্ব এরশাদ উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দৈনিক আমার বাংলাদেশকে জানান, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এতে আমাকে ছাত্রদলের নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যা আদৌ সত্য নয়। আমি প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমাদের পূর্ব পূরুষ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা ব্যাতীত কখনো ভোট দেই নাই। আমিও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিলাম।  আমার সাক্ষাৎকার ছাড়া ও ছাত্রদলের উপজেলা ও জেলার নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ সত্যতা ছাড়া ডালাও ভাবে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে, ছাত্রলীগের কর্মী হয়ে রাজনীতিতে এসেছি। আমার আমলনামা স্বয়ং দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে। আমি কয়েকবার দলীয় নমিনেশন চেয়েছি। অতএব দলীয় নমিনেশন প্রার্থীদের বার বার করে ডিজিএফআই, এনএসআই রিপোর্ট নেওয়া হয়। আমি কে , আমার পরিবার কে, কি করি, কি করতাম। সব তথ্য ডিজিএফআই এনএসআই এর কাছে আছে। তাই আমি এসব বিষয়ে বিচলিত নই। সত্য কে কখনো মিথ্যা দিয়ে চেপে রাখা যায়না।

Daily Amar bangladesh

Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. It has survived not only five centuries

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *